আমরা বিশ্বাস করি বিনোদন সহজ, নিরাপদ আর স্বচ্ছ হওয়া উচিত। 66k সেই বিশ্বাস থেকেই তৈরি — বাংলাদেশের প্রতিটি কোণের মানুষের কথা মাথায় রেখে।
আমরা কারা
বাংলাদেশের মানুষ কেন একটা নির্ভরযোগ্য, বাংলায় পরিচালিত, মোবাইল-ফার্স্ট গেমিং প্ল্যাটফর্ম পাবেন না? এই প্রশ্নটাই 66k-এর জন্ম দিয়েছিল।
শুরুটা ছিল ছোট। একদল মানুষ যারা প্রযুক্তি ও বিনোদনকে ভালোবাসেন, তারা মিলে ঠিক করলেন — বাংলাদেশের ব্যবহারকারীদের জন্য এমন একটা জায়গা তৈরি করতে হবে যেখানে ভাষার বাধা নেই, পেমেন্টের জটিলতা নেই, আর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই।
আজ 66k বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় সক্রিয়। ঢাকার কোনো অফিসকর্মী থেকে শুরু করে সিলেটের চা-বাগানের শ্রমিক — সবাই 66k ব্যবহার করেন। আমাদের গর্ব হলো, আমরা তাদের প্রত্যেকের জন্য কাজ করি।
66k শুধু একটা গেমিং প্ল্যাটফর্ম না — এটা বাংলাদেশের মানুষের জন্য একটা বিশ্বস্ত ডিজিটাল বিনোদন কেন্দ্র।
আমরা চাই বাংলাদেশ ও বাংলাভাষী মানুষেরা একটি স্থানীয় ভাষায় পরিচালিত, আন্তর্জাতিক মানের গেমিং প্ল্যাটফর্ম পাক — যেখানে তারা নিজেদের ঘরে থাকার অনুভূতি পান।
66k-এর মিশন হলো প্রযুক্তির মাধ্যমে গেমিং অভিজ্ঞতাকে এতটাই সহজ করা যেন কেউ প্রথমবার ব্যবহার করলেও কোনো বিভ্রান্তিতে না পড়েন। সহজ ইন্টারফেস, বাংলা সাপোর্ট, দ্রুত পেমেন্ট।
আমরা বিশ্বাস করি প্রতিটি ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রতিটি আপডেট, প্রতিটি নতুন ফিচার ব্যবহারকারীদের মতামত নিয়েই তৈরি হয়।
সুবিধা, নিরাপত্তা আর বিশ্বাসযোগ্যতা — এই তিনটি কারণেই 66k আলাদা।
66k-এর পুরো প্ল্যাটফর্ম বাংলায় পরিচালিত। নিবন্ধন থেকে শুরু করে সাপোর্ট — সব কিছু মাতৃভাষায়। বাংলাদেশের ব্যবহারকারীদের জন্যই তৈরি।
স্মার্টফোনের কথা মাথায় রেখে ডিজাইন করা হয়েছে। ছোট স্ক্রিনেও সব ফিচার সুন্দরভাবে কাজ করে। আলাদা অ্যাপ ডাউনলোড করলে আরও মসৃণ অভিজ্ঞতা পাবেন।
বাংলাদেশের সব প্রধান মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিস সাপোর্ট করে। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট না থাকলেও চলে। ডিপোজিট ও উইথড্র মিনিটে সম্পন্ন হয়।
লাইভ ক্যাসিনো, স্লট, ক্রিকেট বেটিং, ফুটবল, লটারি — সব একই ছাদের নিচে। নতুন গেম নিয়মিত যোগ হচ্ছে। বিরক্ত হওয়ার সুযোগ নেই।
SSL এনক্রিপশন, OTP যাচাই, 2FA সুরক্ষা এবং রিয়েল-টাইম ফ্রড মনিটরিং — আপনার অ্যাকাউন্ট ও অর্থ সর্বদা নিরাপদ থাকে।
প্রথম ডিপোজিট বোনাস, ক্যাশব্যাক, ফ্রি স্পিন — 66k-এ নিয়মিত খেলোয়াড়দের জন্য আকর্ষণীয় অফার সব সময়ই থাকে। বিশেষ দিনে বিশেষ পুরস্কার।
ছোট একটা স্বপ্ন থেকে শুরু হয়ে আজ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মগুলোর একটি।
একদল তরুণ প্রযুক্তিবিদ ও গেমিং উৎসাহী মিলে বাংলাদেশে প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাংলা গেমিং প্ল্যাটফর্ম তৈরির কাজ শুরু করেন। প্রাথমিকভাবে মাত্র ৫০টি গেম নিয়ে যাত্রা শুরু।
Mobile Pay ও Nagad-এর সাথে সংযুক্তি স্থাপন করা হয়। এই পদক্ষেপটা 66k-কে একটা ভিন্ন উচ্চতায় নিয়ে যায়। প্রথম মাসেই নিবন্ধন সংখ্যা দশগুণ বেড়ে যায়।
লাইভ ডিলার ক্যাসিনো গেম এবং ক্রিকেট-ফুটবল বেটিং সেবা চালু হয়। 66k-এ সদস্য সংখ্যা ১০ লক্ষ ছাড়িয়ে যায়।
66k-এর ডেডিকেটেড অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ বাজারে আসে। মাত্র তিন মাসে ৫ লক্ষেরও বেশি ডাউনলোড হয়। ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতা আরও মসৃণ হয়।
বিশেষ লটারি, মেগা জ্যাকপট ও রিওয়ার্ড প্রোগ্রাম চালু হয়। ঈদ ও উৎসবে বিশেষ অফার দিয়ে লক্ষ লক্ষ মানুষের সাথে আনন্দ ভাগ করে নেওয়া হয়।
66k-এর নিবন্ধিত সদস্য সংখ্যা ৫০ লক্ষ ছাড়িয়ে যায়। USDT ও Bitcoin পেমেন্ট চালু হয়। বাংলাদেশের সব ৬৪ জেলায় সক্রিয় ব্যবহারকারী রয়েছেন।
এই মূল্যবোধগুলো 66k-এর প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে কাজ করে।
66k-এর পেছনে আছেন একদল অভিজ্ঞ ও উৎসাহী মানুষ, যারা প্রতিদিন আপনার অভিজ্ঞতা আরও ভালো করতে কাজ করেন।
১৫ বছরের প্রযুক্তি ও ফিনটেক অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশে ডিজিটাল বিনোদনের পথিকৃৎ।
সফটওয়্যার আর্কিটেক্ট। 66k-এর পুরো প্ল্যাটফর্ম তার নেতৃত্বে তৈরি।
ব্যবহারকারীদের চাহিদা বোঝেন এবং সেই অনুযায়ী প্রোডাক্ট তৈরি করেন।
২৪/৭ সাপোর্ট টিমের নেতৃত্ব দেন। ব্যবহারকারীর সমস্যা দ্রুত সমাধান তার অগ্রাধিকার।
বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং এখন আর নতুন কিছু না। কিন্তু মাত্র কয়েক বছর আগেও পরিস্থিতিটা ছিল ভিন্ন। বেশিরভাগ প্ল্যাটফর্ম ইংরেজিতে পরিচালিত হতো, পেমেন্ট করতে হতো আন্তর্জাতিক কার্ড দিয়ে, আর সমস্যা হলে বাংলায় কথা বলার কোনো উপায় থাকত না। 66k এই পুরো চিত্রটা বদলে দিয়েছে।
আমাদের প্রতিষ্ঠাতারা সেই সমস্যাটা নিজেরাও অনুভব করেছিলেন। একজন প্রযুক্তিবিদ হিসেবে রাহাত হোসেন বুঝতে পারলেন — বাংলাদেশের বাজারে এমন একটা প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা সম্ভব যেটা স্থানীয় মানুষের জন্য, স্থানীয় ভাষায়, স্থানীয় পেমেন্ট সিস্টেম দিয়ে চলবে। সেই ভাবনা থেকেই ২০১৯ সালে 66k-এর যাত্রা শুরু।
শুরু থেকেই 66k-এর মনোযোগ ছিল ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতার দিকে। পেমেন্ট কতটা সহজ, ইন্টারফেস কতটা বোধগম্য, সমস্যা হলে সাহায্য পেতে কতক্ষণ লাগে — এই বিষয়গুলো নিয়েই প্রথম দিন থেকে কাজ করা হয়েছে। ফলে যারা প্রথমবার অনলাইন গেমিং করছেন তারাও 66k-এ সহজে শুরু করতে পারেন।
Mobile Pay এবং Nagad সংযুক্তি ছিল একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত। বাংলাদেশে অনেক মানুষের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নেই, কিন্তু মোবাইল ব্যাংকিং আছে। 66k সেই বাস্তবতা বুঝেছে এবং সেই অনুযায়ী কাজ করেছে। এখন ঢাকার কোনো তরুণ যেভাবে 66k ব্যবহার করেন, ময়মনসিংহের কোনো কৃষক সেভাবেই ব্যবহার করতে পারেন।
দায়িত্বশীল গেমিং নিয়ে 66k বেশ সচেতন। আমরা জানি, গেমিং মজার হওয়া উচিত — এটা কারও সমস্যার কারণ হওয়া উচিত না। তাই 66k-এ ব্যয়সীমা নির্ধারণের সুবিধা আছে, স্ব-নিষেধাজ্ঞার বিকল্প আছে এবং সাহায্যের জন্য সর্বদা সাপোর্ট টিম প্রস্তুত। দায়িত্বশীল খেলার বিষয়টা আমাদের কাছে শুধু নিয়মের কথা না — এটা আমাদের দায়িত্ব।
66k-এর প্রযুক্তি দলটি প্রতিনিয়ত কাজ করছে প্ল্যাটফর্মকে আরও উন্নত করতে। প্রতি মাসে নতুন গেম যোগ হচ্ছে, পেমেন্ট প্রক্রিয়া আরও দ্রুত হচ্ছে, সাপোর্ট সিস্টেম আরও শক্তিশালী হচ্ছে। ব্যবহারকারীদের ফিডব্যাক সরাসরি পণ্য উন্নয়নে কাজে লাগে — এটা আমাদের কাছে গর্বের বিষয়।
ভবিষ্যতে 66k আরও বড় হতে চায়। নতুন গেম বিভাগ, আরও দ্রুত পেমেন্ট, উন্নত মোবাইল অ্যাপ — পরিকল্পনা অনেক। কিন্তু মূল লক্ষ্য একটাই থাকবে: বাংলাদেশের মানুষের জন্য সেরা, সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও আনন্দময় গেমিং অভিজ্ঞতা দেওয়া।
৫০ লক্ষেরও বেশি সদস্যের পরিবারে স্বাগতম। বাংলাদেশের সবচেয়ে বিশ্বস্ত গেমিং প্ল্যাটফর্মে নিবন্ধন করুন — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।